Top News

বাংলাদেশ সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ঝুঁকিতে! এলডিসি উত্তরনের বড় চ্যালেন্জ এর মুখে বানিজ্যখাত


 বাংলাদেশ স্বল্পউন্নত দেশ (এলডিসি ) থেখে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরনের পথে থাকায় দেশের রপ্তানি খাত একটি বড় চ্যালেন্জের মুখোমুখী হতে যাচ্ছে ,.! বানিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির জানিয়েছেন,এলডিসি উত্তরনের ফলে শুল্কমুক্ত ্ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা হারালে প্রায় ১৭.৫ বিলিয়ন
ডলারের রপ্তানি আয় ঝুকির মধ্যে পড়তে পারে !

সোমবার ৮ই জুন বাজেট অধিবেশনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান ! মন্ত্রি বলেন বর্তমান পরিস্হিতি মোকাবেলায়  সরকার ইতিমধ্যে বাজার বহুমুথী করনে বিভিন্ন কৌশল গ্রহন করেছেন !

নতুন বানিজ্যচুক্তির দিকে নজর :

সরকার জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতকি অংশ ধারিত্বচুক্তি (EFA) চুড়ান্ত করেছে! ৈএছাড়া দক্ষিন কোরিয়ার সঙ্গে ব্যাপক অংশিধারিত্ব চুক্তি(CEPA)

 নিয়ে আলোচনা চলছে ! একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন,চীন,সংযোক্ত আরবআমিরাত ,সিঙ্গাপুর,ইন্দোনেশিয়া এবং আইস্িপিভিূক্ত দেশগুলোর সঙ্গে মুক্ত বানিজ্যচুক্তি (FTA) বা (CEPA) সাক্করের অনুমতি নেয়া হয়েছে !

বানিজ্য ঘাটতি বেড়েছে:

সংসদে উপস্তাপিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৩-২৪ বছরে বাংলাদেশে বানিজ্যঘাটতি ছিলো ২১.৫০ বিলিয়ন ডলার যা ২৪-২৫ অর্থববছরে বেড়ে দাড়িয়েছে ২৪.১৬ বিলিয়ন ডলারে !

এ সময়ে দেশের মোট আমদানী হয়েছে  ৭৯.৩৫ বিলিয়ন ডলার ! বিপরীত রপ্তানি আয় হয়েছে ৫৫.১৯ বিলিয়ন ডলার ! মন্ত্রী বলেন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট,রামিয়া ৈইউক্রেন যুদ্ব, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যস্ফীতি,ডলার সংকট বাড়তি আমদানি ব্যয় বানিজ্যঘাটতির প্রধান কারন !

তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা:

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। একক খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার সেবা, হালকা প্রকৌশল, হিমায়িত খাদ্য ও প্লাস্টিক শিল্পকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে।

রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে আংশিক রপ্তানিকারকদের জন্য ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭’ প্রণয়ন এবং বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

রপতানি খাতে আর্থিক সহায়তা

বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানিকারকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার স্বল্পসুদে প্রাক-জাহাজীকরণ ঋণ তহবিল চালু রেখেছে। এছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (EDF) থেকেও বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

সরকার ২০২৬ সালের জন্য ‘কাগজ ও প্যাকেজিং’ খাতকে ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করেছে, যাতে রপ্তানি, কর্মসংস্থান এবং নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পায়।

ভারতের সঙ্গে সর্বোচ্চ বানিজ্যঘাটতি

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭.৮৬ বিলিয়ন ডলার, যা সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া আফগানিস্তান, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।

তবে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বর্তমানে ১০০টি বাংলাদেশি এবং ৩৪টি ভুটানি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে চলছে।

সামনে কী অপেক্ষা করছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা। এজন্য নতুন বাজার খোঁজা, পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এখন সময়ের দাবি।

সরকারও এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে, যাতে এলডিসি-পরবর্তী যুগে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে।

#BangladeshExport #LDCGraduation #BangladeshEconomy #TradeNews #ExportBusiness #BusinessNews #EconomicUpdate #BangladeshTrade #ExportGrowth #FTA #CEPA #EPA #MadeInBangladesh #NationalNews #Bangladesh2026

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন