Advertisement

গাজা নিয়ে সেনাবাহিনীকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নতুন নির্দেশ


 ২৬ অক্টোবর, রোববার — ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ গাজায় থাকা সব টানেল ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাটজ আইডিএফকে (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) ‘ইয়োলো লাইন’-এ থাকা টানেল ধ্বংসকেই প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে কার্যকর করতে বলেছেন এবং একই সঙ্গে সেনা সদস্য ও সীমান্তবর্তী সেবার্থীদের সুরক্ষা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটির মূল লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজার সব টানেল ধ্বংস করে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা। কাটজের ভাষ্য— টানেল ধ্বংস ও হামাস নিরস্ত্রীকরণই গাজায় বিজয় অর্জনের প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য। তিনি জিম্মি মুক্তি ও নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত আনার তাগিদও দিয়েছেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত সূত্র — ২৬ অক্টোবর, রোববার: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ শনিবার গাজায় অবস্থিত সব টানেল ধ্বংসের অঙ্গীকারমূলক নির্দেশ দিয়েছেন। আনাদোলু এজেন্সির রিলেটিভ রিপোর্টে বলা হয়েছে, তিনি আইডিএফকে ‘ইয়োলো লাইন’-এ টানেল ধ্বংসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে এবং একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা কড়া করতে বলেছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ও সেন্টকম কমান্ডারের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষাপটে। কথিতভাবে এর উদ্দেশ্য হল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে টানেলগুলোর পূর্ণ ধ্বংসের মাধ্যমে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা।

কাটজ বলেন, “হামাসের টানেল ধ্বংস এবং তাদের নিরস্ত্রীকরণই গাজায় বিজয় অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্য। সর্বোচ্চ নৈতিক দায়িত্ব হলো সব জিম্মি ও নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা; আমরা এই পবিত্র মিশনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” তিনি আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রায় ৬০ শতাংশ অবশিষ্ট টানেল ধ্বংসকে প্রধান কৌশলগত লক্ষ্যে পরিণত করা হয়েছে, যা গাজায় সামরিক সফলতাকে পূর্ণতা দেবে।

#blogger

#facebook

#label1

#label2#bangladesh,

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ