Advertisement

১২ দিনের যুদ্ধে ইহুদিবাদী সত্ত্বা ধ্বংস

 Image

১২ দিনের যুদ্ধে ইহুদিবাদী সত্ত্বা ধ্বংস: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের অভিমত

প্রাকটিক পরিচিতি: ইসরাইলের বিরুদ্ধে ১২ দিনের সামরিক সংঘর্ষের গুরুত্ব ও প্রভাব

বিশ্বের দৃষ্টিতে সাম্প্রতিক ১২ দিনের সংঘর্ষ যেন এক নতুন অধ্যায়। এই যুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরাইলের আকাশ ও স্থল সত্ত্বাকে টলানো। প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে উত্তেজনা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, যেকোন মুহুর্তে বড় সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে ধারণা ছিল।

বিশ্ব শান্তির জন্য এই সংঘর্ষের প্রভাব খারাপ। এই সময়ে ইরাক, সিরিয়া এবং গাজা অঞ্চলগুলি ব্যাপক অস্থিরতা দেখিয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে সামরিক চাপ বাড়ায় নতুন নতুন যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ যুদ্ধের ডেটা দেখলে বোঝা যায় যে, এই সংঘর্ষে দেশগুলো যেন এক নতুন শক্তির দিকে এগোচ্ছে।

ইরানের দৃষ্টিকোণ: পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের বিবৃতি ও বিশ্লেষণ

গালিবাফের বক্তব্যের সারাংশ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

https://otieu.com/4/9500828 https://otieu.com/4/9495617

মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, এই ১২ দিনের সংঘর্ষ দিয়ে ইহুদিবাদী শক্তির মূল সত্ত্বা ধ্বংস হয়ে গেছে। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইলের আধিপত্য ছিল এই অঞ্চলে। কিন্তু এই যুদ্ধের ফলে তাদের শক্তি কমে গেছে। তিনি বলছেন, এই যুদ্ধের মাধ্যমে ইসরাইলের আধিপত্যের অবসান ঘটেছে।

গালিবাফের বক্তব্যের পেছনে রয়েছে ইরানের শক্তি ও সামরিক প্রস্তুতি। তারা এই সংঘর্ষকে একটি বিজয় হিসেবে দেখছে। দেশের শক্তি বৃদ্ধির জন্য এইবার তারা দেখিয়েছে যে, উপযুক্ত সময়ে প্রতিরোধ করতে পারে।

রাজনৈতিক ও সামরিক বার্তা

এই বক্তব্য দিয়ে ইরান বোঝাতে চায় যে, তারা শক্তি বৃদ্ধির পথে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও এই বার্তা স্পষ্ট—তাদের আবেগ, সাহস ও শক্তি প্রমাণ হয়। এই সংঘর্ষে পশ্চিমা শক্তির প্রতিক্রিয়াও প্রতিফলিত হয়েছে। অনেক দেশই সমর্থন জানাচ্ছে, আবার কিছু দেশ চুপচাপ।

প্রথমত, প্রতিদ্বন্দ্বিতা দীর্ঘদিনের। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে প্রতিদিন উত্তেজনা ছিল। দু’পক্ষের মধ্যকার প্রতিরোধের জন্য, গাজার লড়াই ও ইরানের সমর্থনে এই সংঘর্ষ ঘটেছে। এই সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল পারস্পরিক আধিপত্য।

ইসরাইল আকাশে ও স্থলে আক্রমণ চালিয়েছে। তারা ড্রোন, রাডার ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। তবে, এই আক্রমণে ফলাফল কি হয়েছে? কিছু অর্জন, কিছু ব্যর্থতা। যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। নতুন শক্তির বিকাশ ও উত্তেজনা বেড়েছে।

সংঘর্ষের পর শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি যাচ্ছে না। নতুন সমস্যা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলও ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ কিছু হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। তবে পরিস্থিতি এখনো অস্থির।

ইসরাইলের উড়োজাহাজ ও ড্রোনের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। আধুনিক রাডার ও সিস্টেম এখন বেশি কার্যকর। তবে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও শক্তিশালী। নতুন প্রযুক্তির জন্য এই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে।

সেনারা আধুনিক কৌশল ব্যবহার করেছে। গোলাবর্ষণ ও প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত ছিল। গাজার প্রতিরোধ বেশি শক্তিশালী। এই পরিস্থিতিতে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির পরিবেশ ও অস্থিরতা

ইরানের শক্তি বাড়ছে, আর পশ্চিমা দেশগুলো সতর্ক হয়েছে। নতুন সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকায়, এই অঞ্চল আরও অস্থির হয়ে উঠছে। শক্তির স্থানান্তর দেখা যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া সবাই এই সংঘর্ষে হাত লাগিয়েছে। তাদের ভূমিকা অনেকটাই স্পষ্ট। গণতন্ত্রী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য চাপ পড়ছে।

সামরিক প্রস্তুতিতে তারা আরও বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ সমাধান হোক—এটাই এখন মূল লক্ষ্য। আলোচনা আর মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ।

১২ দিনের এই যুদ্ধ অনেক কিছু শেখায়। যুদ্ধের ফল প্রকাশ করে শক্তির প্রকৃতি। মনুষ্যত্বের জন্য শান্তিপূর্ণ পথে হাঁটার গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। এই সংঘর্ষের পর, সবাই বুঝতে পেরেছে যে, শান্তি মানে জীবন। পরবর্তী সময়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপদ ভবিষ্যত গড়তে হলে, সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। যুদ্ধ-স্মৃতি থেকে শেখা জরুরি। আলোচনায় বসে সমাধান খুঁজতে হবে। মনে রাখতে হবে, শান্তি উপযুক্ত উপায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ