নুরুল হক বলেছেন যে হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণের জন্য মূলত প্রশাসন দায়ী। তিনি দেশের আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে বলেন যে সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতি ও অপশাসনে জড়িত অথচ তারা পার পেয়ে যাচ্ছেন। বরং, তিনি দাবি করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য স্থানীয় নির্বাচনের আয়োজন অপরিহার্য এবং যুবসমাজকে যুক্ত করে পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব বের করার সময় এসেছে। প্রশাসনিক ব্যর্থতার ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বাজার নিয়ন্ত্রণে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নুরুল হক উল্লেখ করেন, হাসিনার ফ্যাসিবাদী হওয়ার জন্য আমলাতন্ত্র প্রধানত দায়ী।নুরুল হক উল্লেখ করেন যে হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্র আমলাতন্ত্রের কারণে বেড়ে গেছে, যেখানে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সরকারের অন্ধভাবে অনুসরণ করেন এবং বহু ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও লুটপাটের সহযোগী হন
সরকার এখন পর্যন্ত এ পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পারছে না
সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন গুরুতর পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। নুরুল হক বলছেন যে দেশের আমলাতন্ত্র হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং প্রশাসনের সদস্যরা অনেক ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার অথবা বিচার থেকে রেহাই পেয়ে যায়।স্থানীয় নির্বাচনের আয়োজনের মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা আছে।যুব সমাজকে রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলার গুরুত্ব অপরিসীম।বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সহন্যতা ছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে মৃত্যু কিংবা ক্ষতির ঘটনা বাড়ছে।জনপ্রতিনিধিত্বশীলতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে।
হাসিনার ফ্যাসিবাদী হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী এ দেশের আমলাতন্ত্র, এই হাসিনার বিচারের পাশাপাশি প্রশাসনের মধ্যেও যাঁরা সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মধ্যে ফ্যাসিবাদের দোসর ছিলেন, ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিলেন, তাঁদের ন্যূনতম বিচারের মুখোমুখি অবশ্যই করতে হবে।


.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ