Advertisement

চট্টগ্রামের বইমেলায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার বিক্রি

 

চট্টগ্রামে অমর একুশে বইমেলা শেষ হয়েছে শনিবার। ২৩ দিনব্যাপী মেলায় সাড়ে তিন কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে। বই বিক্রি নিয়ে ঢাকার প্রকাশকরা সন্তুষ্টির কথা জানালেও চট্টগ্রামের কয়েকজন প্রকাশক আগের তুলনায় কম বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আয়োজনে বইমেলা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ। ২০১৯ সাল থেকে সম্মিলিত বইমেলার আয়োজন করে আসছে সিটি করপোরেশন। প্রতিবছর নগরের এম আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়াম মাঠে মেলা হলেও এবার প্রথমবারের মতো সিআরবি শিরীষতলায় আয়োজন করা হয়। ফলে খোলামেলা পরিবেশে পাঠক দর্শক সমাগমও বেশি হয়েছে। এবারের মেলা ঘিরে নতুন বই প্রকাশ হয় ৪০৫টি।

আদর্শ প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী মিনহাজ কথা প্রকাশের রাজু বলেন, বই বিক্রি খারাপ হয়নি। ফিকশন, নন-ফিকশন সব ধরনের বইয়ে পাঠকদের আগ্রহ ছিল।

তবে চট্টগ্রামের এমিলিয়া প্রকাশনের আবছার উদ্দিন লিটন বলেন, জিমনেশিয়াম মাঠের মেলায় শেষের পাঁচ দিন গড়ে অন্তত পাঁচ হাজার টাকার বই বিক্রি হতো। এবার দুই হাজার টাকার বইও বিক্রি হয়নি

 চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সংগঠক কবি আইয়ুব সৈয়দ বলেন, বই বিক্রি ভালোই হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে পহেলা বসন্তে। দিন প্রায় ১১ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়।

এবারের বইমেলায় ঢাকা চট্টগ্রামের ৯২টি প্রকাশনা সংস্থার ১৫৫টি স্টল ছিল। মেলায় জাতীয় জীবনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৬ জনকে একুশে সম্মাননা স্মারক পদক সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়। মেলা মঞ্চে প্রতিদিন নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং বিষয়ভিত্তিক আলোচনা হয়।

এদিকে বইমেলায় অনন্য স্টলের সম্মাননা অর্জন করেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব স্টল। নান্দনিক অঙ্গসজ্জা, লেখক নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমাবেশ এবং বিভিন্ন আয়োজনসহ সার্বিক বিবেচনায় সম্মাননা প্রদান করা হয়। সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী শুক্রবার বইমেলার মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি চৌধুরী ফরিদ গ্রন্থাগার সম্পাদক আহমেদ কুতুব।

 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ